মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

দর্শনীয় স্থান

কয়েমকোলা মসজিদ
মসজিদটি কে কবে নির্মাণ করেছিলেন তা জানা যায় না। স্থানীয় প্রবাদ অনুসারে জানা যায় যে মসজিদটি ইংরেজ আমলে একজন জমাদার নির্মাণ করেছিলেন। এজন্য লোকে মসজিদটিকে জমাদার মসজিদও বলে থাকে। কিন্তু কিংবদন্তীর সেই জমাদার বাংলার পুতুল নবাব মীর জাফর আলী খানের কর্মকর্তা ছিলেন। তাই এই হিসাব মতে মসজিদের নির্মাণকাল হবে সতের শতাব্দীর শেষের দিকে। কিন্তু মসজিদটি দেখে মনে হয় যে এটি সুলতানী আমলে নির্মিত।

 

বর্তমানে মসজিদের দেওয়ালে লোনা লেগে ক্ষয় হয়ে গেছে। তাই ঐতিহাসিক এই মসজিদটিকে দ্রুত ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা প্রয়োজন। দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা না করলে যেকোন মুহুর্তে ভেঙ্গে পড়তে পারে। তাই ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের তত্ত্বাবধানে নিয়ে নেওয়া জরুরী প্রয়োজন। নইলে যেকোন সময় ঐতিহাসিক এই মসজিদের অপরূপ সৌন্দর্য কালের গর্ভে হারিয়ে যেতে পারে

অবস্থান: যশোর > কায়েককোলা / ঝিকরগাছা > কায়েমকোলা। ঝিকরগাছা শহর থেকে যে রাস্তাটি চৌগাছা উপজেলা শহরে গেছে সে রাস্তা ধরে ৫/৬ মাইল অতিক্রম করলেই কায়েমকোলা গ্রাম পড়ে। আর এ গ্রামের পূর্ব দিকেই কায়েমকোলা মসজিদটি অবস্থিত। / যশোর ধর্মতলা থেকে ছুটিপুরের দিকে যেতে কায়েমকোলা গ্রাম।  কায়েমকোলা বাজারে পৌঁছাবার আগেই হাতের বাম সাইডে ঐতিহাসিক এই মসজিদটি অবস্থিত।  

দুরত্ব: যশোর থেকে ১০/১২ কিলোমিটার এবং ঝিকরগাছা শহর থেকে ৮/১০ কিলোমিটার

যাতায়াতের মাধ্যম: যশোর শহরতলী ধর্মতলা হতে যশোর-ছুটিপুর বাস সার্ভিস। ঝিকরগাছা বাজার থেকে ঝিকরগাছা-চৌগাছা রুটের বাস সার্ভিস / নসিমন / ভ্যান।

ছবি



Share with :

Facebook Twitter